রাজ্যরাজনীতি
Trending

নাগরিকত্বে অনিশ্চয়তা! শান্তনু ঠাকুরের মন্ত্রিত্বেও শঙ্কিত মতুয়া সম্প্রদায়

নাগরিকত্বে অনিশ্চয়তা! শান্তনু ঠাকুরের মন্ত্রিত্বেও শঙ্কিত মতুয়া সম্প্রদায়

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক :– কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ে রাজ্য বিজেপির অগ্রাধিকার এবার সুস্পষ্ট। মোদীর মন্ত্রীসভায় চার স্তম্ভের শক্ত ভিটেয় উচ্ছসিত আজ বঙ্গ বিজেপি। এদের মাঝেই জায়গা করে নিয়েছেন বনগাঁর মতুয়া সম্প্রদায়ের শান্তনু ঠাকুর, তিনি আজ জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। মন্ত্রীসভায় ঠাঁই পেলেও নাগরিকত্বের প্রশ্নে এখনও দোলাচলে মতুয়া সম্প্রদায়। নাগরিকত্ব এখনও পাবে কিনা এই প্রশ্নই এখন দানা বেঁধেছে মতুয়াদের অধিকাংশের মনে।

প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সমগ্র দেশ জুড়েই এক সময় চলেছে টালমাটাল পরিস্থিতি। ‘এনআরসি’ এবং ‘সিএএ’ নিয়ে জলঘোলাও হয়েছে প্রচুর। বিজেপি এক সময় দাবি করেছিলো এ দেশের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে না পারলে এনআরসির আওতায় ফেলে সাধারণ জনগনকে নিয়ে যাওয়া হবে ডিটেনশন ক্যাম্পে। সমগ্র দেশ তথা বাংলা জুড়ে দেখা গিয়েছিলো চরম বিরোধিতার সুর। কিন্তুু মন্ত্রীসভা পুনঃনির্মানকালে বাংলা থেকে একজন মতুয়া মন্ত্রীকে ঠাঁই দেওয়া মোদীর নতুন রণকৌশল, এমনটাই মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।

উল্লেখ্য, পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গীন হয়ে পড়েছে যে মতুয়াদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে ভিন্ন সুর। এই বিষয়ে নারায়ণ মালাকার নামে এক মতুয়া জানিয়েছেন, “এবার আমরা নাগরিকত্ব পাবো। আমরা এখন আশাবাদী। শান্তনু ঠাকুর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় জায়গা করে নিয়েছেন তাই আমরা আশাবাদী।” পাশাপাশি অনুপম রায় নামের আরেক ব্যক্তির গলায় পাওয়া গেলো উল্টো সুর। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “শান্তনু ঠাকুর একজন জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। তিনি মতুয়াদের সমস্যা সমাধান করবেন কি করে! শুধুমাত্র নিজের সমস্যা সমাধানের জন্যই তিনি ওই মন্ত্রীসভায় জায়গা করে নিয়েছেন।”

এই বিষয়ে জানা গিয়েছে, মতুয়া সম্প্রদায় থেকে প্রথম রাজনীতিতে পা দিয়েছিলেন প্রমথরঞ্জন ঠাকুর এবং ১৯৬২ সালে কংগ্রেসের টিকিটে মন্ত্রীত্ব পাওয়ার পর ঠাঁই পেয়েছিলেন বিধানচন্দ্র রায়ের মন্ত্রীসভায়। প্রমথরঞ্জনের মতো তিনিও মতুয়াদের শ্রেষ্ঠত্বের দাবিতে সরব হন কিনা তা বলবে ভবিষ্যতই এমনটাই জানিয়েছেন এক মতুয়া গবেষক। এই বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ” রাজ্যে বিজেপির অবস্থান এখন দৃঢ় তাই রাজ্য বিজেপি থেকে চারজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় জায়গা করে নিয়েছেন এ আমাদের কাছে অনেক গর্বের। আমি একজন বাংলার বাসিন্দা হয়ে আজ অনেক গর্বিত।”

 

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close