বিনোদন

‘বলিউডকে বদনাম করছে, সাম্প্রদায়িকতা ছড়াচ্ছে!’ কঙ্গনার বিরুদ্ধে FIR এর নির্দেশ

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্কঃ সুশান্ত মৃত্যু মামলা থেকে বলিউডে বিদ্রোহ, বিতর্ক পিছু ছাড়তে চাইছে না কঙ্গনা রানাওয়াতের। বলিউডে তিনি বরাবর ‘স্পষ্টভাষী’ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সেই স্পষ্টভাষিতার কারণে বারবারই একাধিক তোপের মুখে পড়তে হয়েছে বলিউডের ‘কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন’কে।

এবার ক্রমাগত ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগও আনা হয়েছে কঙ্গনা রানাওয়াতের উপর। মুম্বাইয়ের একটি আদালত এদিন এই এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছে। বলিউডের এক পরিচালক অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে বলিউডকে বদনাম এবং দুই সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ সৃষ্টি করার অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর-এর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমেই এই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কঙ্গনা রানাওয়াত সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষত ট্যুইটারে অত্যধিক সক্রিয়। সেখানেই তাঁর বিতর্কিত পোস্টগুলি করে থাকেন তিনি।

শুক্রবার বান্দ্রা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব ঘুলে এই নির্দেশ জারি করেছেন। সাহিল আশরাফালি সইদ নামক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দেশ জারি হয়েছে। উল্লেখ্য, অভিযোগ পত্রে কঙ্গনা রানাওয়াতের বোন রাঙ্গোলি চান্দেলের নামও উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নিজের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজে লেগেছেন কঙ্গনা, এমনটাই দাবি করা হয়েছে ওই অভিযোগে। বস্তুত অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বলিউডের ‘ক্যুইন’কে।

“উনি খুব ভালো করেই জানেন জনপ্রিয়তার সুবাদে ওঁর ট্যুইট প্রচুর মানুষের কাছে পৌঁছোয়”, লেখা হয়েছে অভিযোগ পত্রে। আদালতের তরফে বলা হয়েছে, “ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে করা কিছু মন্তব্য, এবং সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে অভিযোগ গুলি আনা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের তদন্ত প্রয়োজন।” শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট থানাকে ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের ভিত্তিতে অভিনেত্রী এবং তাঁর বোনের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

অভিযোগকারীর বক্তব্য, “কঙ্গনা হিন্দু ও মুসলিম শিল্পীদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করছেন। ইচ্ছে করেই নিজের সমস্ত পোস্টে ধর্মকে টেনে আনছেন। এছাড়া তাঁর বোনও নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন।” কঙ্গনা রানাওয়াতের সাম্প্রতিক সময়ের নানা পোস্ট, বিতর্কিত মন্তব্য উল্লেখ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। এবার কি থামবেন ‘ক্যুইন’? উত্তর দেবে সময়।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close