গ্রিন রুম

সঙ্গীত মঞ্চে বাংলার জয়জয়কার! ইন্ডিয়ান আইডলের সেরা ১৫-য় অর্ধেকই বাঙালি

মহানগর বার্তা ডেস্কঃ সঙ্গীত মানেই বাংলা! বঙ্গের কোণায় কোণায় ছড়িয়ে সঙ্গীতের প্রতিভা! বারবার প্রতিফলিত হয় এ কথা। তাবড় তাবড় সঙ্গীত পরিচালক থেকে শুরু করে সঙ্গীতশিল্পী, শিল্প-সংস্কৃতির একাধিক ক্ষেত্রের সঙ্গেই সঙ্গীতের জগতে উল্লেখযোগ্য হয়েছে বাংলা-বাঙালি। কিশোর কুমার, শচীন দেববর্মণ, সলিল চৌধুরী, মান্না দে, কুমার শানু, শ্রেয়া ঘোষাল থেকে অভিজিৎ ভট্টাচার্য, শান, অরিজিৎ সিংহরা। গানের জগতে বিচ্ছুরিত হয়েছে একাধিক প্রতিভা। আর সেই ছোঁয়া থেকে বাদ যায়নি একের পর এক জাতীয় স্তরের রিয়ালিটি শো-ও।

সম্প্রতি, একটি জাতীয় বৈদ্যুতিন চ্যানেলে নদীয়ার প্রাঞ্জলের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়েছিল দেশ। এবার সেই মুগ্ধতা ফের ছড়াল বাংলার প্রতিভারা। রেকর্ড গড়ে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৩-এর সেরা ১৫-য় জায়গা করে নিলেন ৮ জন। এঁরা প্রত্যেকেই কলকাতা থেকে অডিশন দেন। যার মধ্যে ৭ জনই বাঙালি! শুধুমাত্র রাঁচির বাসিন্দা সওগুন পাঠক। বাকি সকলেই বাঙালি। সবাই এই রাজ্যরই বাসিন্দা।

প্রসঙ্গত, এই বছরেই নিয়ম ভেঙে ১৪ জনের জায়গায় ১৫ জনকে সেরা হিসেবে নিয়েছেন ওই রিয়ালিটি শো-এর বিচারক সঙ্গীতশিল্পী নেহা কক্কর, সঙ্গীত পরিচালক-সঙ্গীতশিল্পী হিমেশ রেশমিয়া এবং সঙ্গীত পরিচালক বিশাল দাদলানি। এই অতিরিক্ত এক জনকে নেওয়ার পিছনে রয়েছে এক বাঙালির হাত! প্রথা ভেঙে জি বাংলা সারেগামাপা-র পরিচিত মুখ নৈহাটির প্রীতম রায় সুযোগ পেয়েছেন, প্রতিভার জোরে। তাঁর সঙ্গেই, ২১ বছরের দেবস্মিতা রায়, ১৬ বছরের অনুষ্কা পাত্র, অপেরা সঙ্গীতে রেকর্ড গড়ে সঞ্চারী সেনগুপ্ত, সেঁজুতি দাস, সোনাক্ষি কর, বিদিপ্তা চক্রবর্তী সুযোগ পেয়েছেন কঠিন সব প্রতিপক্ষকে হারিয়ে। কেন উত্তর ভারতের ঋতরিব সুযোগ পাননি, তা নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে সোশ্যাল দুনিয়ায়। যদিও এই রেকর্ড ইন্ডিয়ান আইডলের ইতিহাসে দেশের কোনও রাজ্যের ক্ষেত্রেই ঘটেনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close