অন্যান্য

নিজের গয়না বিক্রি করে ২০ লক্ষ টাকা দেশের প্রতিরক্ষা খাতে দান করলেন মহিলা

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক: জন্মদিন উপলক্ষ্যে নিজের গয়না বেচে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে চর্চায় উঠে এলেন বিজেপির এক প্রাক্তন বিচারবিভাগীয় কর্মী। জানা গেছে, সীমান্ত সংঘর্ষে নিহত সেনাদের বিধবা স্ত্রী এবং প্রাক্তন সেনা কর্মীদের সাহায্যের খাতে তিনি ওই টাকা দান করেছেন। তাঁর এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলে। তবে তাঁর মধ্যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা বাণী সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য।

জানা গেছে বিজেপির এই প্রাক্তন বিচারবিভাগীয় কর্মীর নাম নিশিগন্ধা মোগল। সম্প্রতি তিনি ৭৫ বছরে পা দিয়েছেন। সেই ৭৫ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে সোনার গয়না বিক্রি করে ২০ লক্ষ টাকা দেশের প্রতিরক্ষা খাতে দান করেছেন তিনি। “আমাদের দেশের উর্দিধারী মহান সেনাদের প্রতি আমার সামান্য কর্তব্যের কথা ভেবেই আমি আমার সোনার গয়না দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”, বলেছেন নিশিগন্ধা মোগল।

স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রশংসা পাবেন ভাবতে পারেননি নিশিগন্ধা। তাঁর কথায়, ” প্রধানমন্ত্রী আমায় বার্তা পাঠিয়েছেন, এটা আমার জন্য খুব বড় সারপ্রাইজ।” কি ছিল প্রধানমন্ত্রীর ওই বার্তায়? তিনি লিখেছেন, ‘দেশ গঠনের কাজে দেশের মা বোনেদের দান ,আত্মত্যাগ , বরাবরই আমাদের দেশের ঐতিহ্য। এমনকি নিজেদের সোনার গয়না দিয়ে দেওয়াও প্রচলিত। সেনাবাহিনীর খাতে আপনার অমূল্য এই দান দেশের সেই ঐতিহ্যকেই আরো সুদৃঢ় করেছে।’

সারাজীবন ধরেই দেশের সেনা বাহিনীর জন্য কিছু করার ইচ্ছা ছিল তাঁর, এমনটাই জানিয়েছেন প্রাক্তন বিচারবিভাগীয় কর্মী নিশিগন্ধা মোগল। “কিছু মাস আগে আমি গয়না বিক্রির কথা ভাবি। আমার এই সিদ্ধান্তে আমার পরিবার আমার পাশে ছিল। আমি খুব খুশি। ” জানান তিনি।

এই ভাবনার পিছনে অনুপ্রেরণার কথা জিজ্ঞাসা করা হলে নিশিগন্ধা জানান, “প্রয়াত মোহন ধারিয়া নাসিকে একবার একটি মিছিল করেছিলেন যেখানে তিনি দলের জন্য ভোট চাওয়ার পাশাপাশি অর্থ সাহায্যের জন্যেও এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান করেছিলেন। তখন কিছু মহিলা সোনার গয়না দিয়ে দিয়েছিলেন।” এই ঘটনাই ৭৫ বছরের নিশিগন্ধার স্মৃতিতে গেঁথে গিয়েছিল এবং আজকের এই সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close