খবররাজ্য

“চা বিক্রি করে প্রধানমন্ত্রী হয়ে, চা বিক্রেতাদেরই ভুলে গেছেন”, মোদীকে কটাক্ষ অভিষেকের

আজ মালবাজারের সভা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে চা-বাগান নিয়ে অভিষেকের নিশানায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী চা বিক্রি করতেন বলতেন। অথচ চা শ্রমিকদের দিকে নজর দেন না। প্রধানমন্ত্রী হবার পর চা বিক্রেতাদের দিকে তাকালেন না কেন? এভাবেই কড়া ভাষায় মোদীকে তীব্র কটাক্ষ করেন অভিষেক। পাশাপাশি চা বাগান মালিক ও উত্তরবঙ্গের বিজেপি বিধায়ক-সাংসদের হুঁশিয়ারি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আগামী ২ মাসের মধ্যে পিএফ ও গ্রাচুইটি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান না হলে ১ জানুয়ারি থেকে চা শ্রমিকদের আন্দোলনে নামার পরামর্শ দেন অভিষেক। উত্তরবঙ্গের বিজেপি সংসদ-বিধায়কদের বাড়ি ঘেরাও করার কথাও বলেন। তিনি জানান, তিনি কলকাতা থেকে আসবেন। যেসব চা বাগান পিএফ ও ইএসআই জমা করেনি তাদের প্রত্যেকের গেটে এনিয়ে আন্দোলন করা হবে। তৃণমূল কংগ্রেস চা শ্রমিকদের স্বার্থে লড়াই করবে। মালিকদের স্বার্থে নয়। এছাড়াও তিনি বলেন, “২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল, এই সময়ের মধ্যে তিনবার প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। ২০১৬ সালের আগে একবার এসে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, বীরপাড়া, লঙ্কাপাড় চা বাগান-সহ ৭টি চা বাগান কেন্দ্র খোলার ব্যবস্থা করবে। কিন্তু ওইসব চা বাগান খোলার ব্যবস্থা করেছে রাজ্যে সরকার। তাই বিজেপি যা বলে তা করে না। ওদের বিশ্বাস করতে নেই।”

এছাড়াও অভিষেক বলেন, প্রতিটি চা বাগানে ৫০ শিশু রাখার জন্য ক্রেস তৈরি হবে। ২-৩ টি চা বাগানকে নিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও তৈরি হবে। চা পাতা ২৪ কেজির কম তোলা হলে কেজিপিছু টাকা কেটে নেওয়া হয়। এই জিনিস বন্ধ করতে হবে। প্রতিদিন যাতে শ্রমিকরা ২৩২ টাকা পান তা সুনিশ্চিত করতে হবে। চা বস্তিগুলিতে যাতে পানীয় জল পৌঁছায় তার চেষ্টা করা হবে। এভাবেই চা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ান তিনি। তিনি বলেন, এই দাবি শুধু চা শ্রমিকদের না। এই দাবি তাদেরও। তাই শ্রমিকদের সুবিধার্থে যতদূর যাওয়া যায় ততদূর যাবেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close