বিনোদন

আদিত্য পাঞ্চালিকে ধর্ষক বলায় কঙ্গনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন আদিত্যের স্ত্রী জারিনা

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক: বছর ১৬/১৭ একটি মেয়ে। হিমাচল প্রদেশের পাহাড় ঘেরা গ্রামের পাহাড়ি মেয়ে কঙ্গনা রানাউত চলে আসে মায়া নগরীতে। সেই ছোট্ট মেয়েটি যখন কী করবেন, কোথায় থাকবেন, কী ভাবে পরিচিতি বানাবেন তা নিয়ে একেবারে নাজেহাল ঠিক তখনই কঙ্গনার সাথে পরিচয় হয় অভিনেতা-প্রযোজক আদিত্য পাঞ্চোলীর।

বলিউডের পেজ থ্রির অনেকাংশ দখল করে আদিত্যর সঙ্গে কঙ্গনার ২১ বছর তফাতের এই সম্পর্ক। এর মধ্যেই হঠাৎ গ্যাংস্টার’ ছবিতে অভিনয় সুযোগ আসে কঙ্গনার। এরপর আর পিছনে ফিরে দেখতে হয়নি এই বলিউড ক্যুইনকে।তিনি প্রভূত প্রশংসা ও পুরস্কার অর্জন করেন। তবে এরপর থেকেই বলা যায় মূলত ভাঙন ধরে তাদের সম্পর্কে।

এই ঘটনাটি বহু নজরকাড়া ঘটনার মধ্যে অন্যতম হয়ে থাকলেও ২০১৬ সালে সামনে আসে এক চাঞ্চল্যকর মোড়। এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা সরাসরি অভিযোগ করে দাবি করেন, তাঁকে নাবালিকা অবস্থায় নিয়মিত ধর্ষণ করতেন আদিত্য। শুধু তাই নয়, শারীরিক ভাবেও নাকি নিগ্রহ করতেন পাঞ্চোলি।

কঙ্গনা বলেন, “এমন জোরে ধাক্কা মারল মেঝেতে পড়ে গেলাম। মাথা ফেটে গলগল করে রক্ত বেরতে লাগল। আমার বয়স তখন মেরেকেটে ১৭। আমি ছেড়ে দিইনি। নিজের হাওয়াই চটি দিয়ে মেরেছিলাম। তার মাথা থেকেও রক্ত বেরতে শুরু করে। সে দিন থেকেই বুঝলাম আমি জন্ম থেকেই ‘ফাইটার’।”

কঙ্গনা এও জানান, কঙ্গনার কথায়, “বার বার বলতাম আমাকে বাঁচান। আমি তো আপনার মেয়ের থেকেও ছোট। কিন্তু সাহায্য পাইনি। বাড়িতে বলতে পারতাম না। জানি বললে বাবা-মা বলবে মুম্বই ছেড়ে দিতে। তাই দিনের পর দিন মুখ বুজে সহ্য করে গিয়েছি।”

এরপর কঙ্গনার পাশাপাশি তার দিদি রঙ্গোলী চান্ডেল অভিযোগ করেন, জারিনা নাকি মুখ বন্ধ করার জন্য কঙ্গনাকে দামি উপহার দিতেন এছাড়া সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর মতো নামজাদা পরিচালকের সঙ্গেও দেখা করিয়ে দিয়েছিলেন স্বামীর ‘কুকর্ম’-র কথা ঢেকে রাখতে।

আদিত্যর জারিনা স্পষ্ট বলেন, “এ সব মিথ্যে। সাড়ে চার বছর ধরে আমার স্বামীকে ডেট করেছে ও। তার পরেও তাকে মেয়ে হিসেবে কী ভাবে ভাবতে পারি আমি। আমার মেয়ের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করছে। মানেটা কী?” জারিনা আরও যোগ করেন, “আমারই স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে থেকে আবার আমার কাছেই সাহায্যের জন্য আসবে? এমনটা হয় কখনও? কথা বলবেই যখন বুঝে শুনে বলুক।”

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close