রাজনীতি

কেষ্টর যাতে কষ্ট না হয়! জেলেতেও অনুব্রতর ‘যত্ন’ নিচ্ছে সায়গল, খেয়াল রাখছে শরীরের

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্কঃ গরুপাচার মামলায় বর্তমানে আসানসোলের বিশেষ সংশোধনাগারে আটক আছেন অনুব্রত মন্ডল (Anubrata Mondal)। সেখানেই আছেন অনুব্রত’র (Anubrata Mondal) একদা দেহরক্ষী সায়গলও। দু’জনেই গরু পাচার মামলায় আপাততো বিচারাধীন বন্দী। একসময় কার্যত অনুব্রত’র ছায়াসঙ্গী ছিলেন সায়গল। বর্তমানে জেলের ভিতরেও তিনি সেই ভূমিকাই পালন করছেন বলে জানা গেছে বিশেষ সূত্রে।

জেলবন্দী অনুব্রত(Anubrata Mondal) বাবুর বিভিন্ন শারীরিক সমস্যাও রয়েছে। এই কারণে আদালতের নির্দেশে নিয়মিত তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। অনুব্রত বাবুর আইনজীবিরা জানিয়েছেন দিনে তাঁকে অনেকগুলো ওষুধ খেতে হয়। রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতার কারণে দিনে বেশ কয়েকবার নেবুলাইজারেরও প্রয়োজন হয় তাঁর। রাতে ঘুমানোর সময় দরকার হয় অক্সিজেন মাস্কেরও।

অনুব্রত (Anubrata Mondal) বাবুর ঘনিষ্ট মহল চিন্তায় ছিলেন এই পরিস্থিতিতে তিনি নিজে সামলাতে পারবেন কিনা! তবে তাঁর সঙ্গে সায়গল আছে, তাই চিন্তার কিছু নেই বলেই ঘনিষ্টদের জানিয়েছেন তিনি। এমনটাই জানা গেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রে।

আরও পড়ুন: খিদিরপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, লরির চাপে মৃত্যু তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের

জেল সূত্রেও খবর, সায়গল সেখানেও তাঁর আগের ভূমিকাই পালন করছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। অনুব্রত’র(Anubrata Mondal) ওষুধপত্র থেকে সমস্ত কিছুই সায়গলের নখদর্পনে। জেলে দু’জনে আছেন পাশাপাশি সেলেই। সেখানে অনুব্রত’র ‘ছায়াসঙ্গী’ হয়েই তাঁর ‘যত্ন’ রাখছেন সায়গল। প্রাতঃরাশের পরে দু’জনে একসঙ্গে পায়চারি করছেন। অনুব্রত ঠিক মতো খাওয়াদাওয়া করছেন কিনা, তাঁর ওষুধ খাওয়ানো, নেবুলাইজার করানো সমস্তটাই খেয়াল রাখছেন সায়গল। জেল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছেন, সবটাই চলছে নিয়ম মেনেই।

আরও পড়ুন: প্ৰথম ভারতীয় হিসাবে রেকর্ড গড়লেন ‘সোনার ছেলে’, ডায়মন্ড লিগ মিট খেতাব জিতলেন নীরজ

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার অনুব্রত’র স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো হয় আসানসোল জেলা হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অনুব্রতের ওজন ১০৯.৯ কেজি। এই দিন অনুব্রত’র রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ছিল প্রায় ৯৮ শতাংশ। প্রতি ডেসিলিটার রক্তে শর্করার মাত্রা ছিল ১২৭ মিলিগ্রাম। রক্তচাপ ছিল ১৪০/১০০, যা স্বাভাবিকের থেকে বেশি। তবে ‘বডি মাস ইনডেক্স’ অনেকটাই বেশি বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। সংশোধনাগারের সুপার কৃপাময় নন্দী বলেন, “তেমন প্রয়োজন হলে নিশ্চয় ফের ওঁকে চিকিৎসককেদেখানো হবে।” একদা ‘ছায়াসঙ্গী’ এখন কার্যত জেলের ভিতরেও অনুব্রত বিশ্বস্ত সহচর হিসাবেই ভূমিকা পালন করছেন।

উল্লেখ্য, সিবিআই আধিকারিকরা দাবি, এই সায়গলের মাধ্যমেই গরু পাচার চক্রের যোগাযোগ হয় অনুব্রত’র সঙ্গে। লেনদনও হতো তাঁর মাধ্যমেই।

সবার খবর সঠিক খবর পড়তে চোখ রাখুন মহানগর বার্তায়

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close