খবররাজ্য

‘অনেকদিন পর বীরভূমের লোকদের হাসতে দেখলাম’, কেষ্টহীন বীরভূম দেখে আপ্লুত দিলীপ

মহানগর বার্তা ডেস্ক : গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের জালে অনুব্রত মণ্ডল। আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে রয়েছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি। তাঁর অনুগামীরা যেন কার্যত অভিভাবকহীন। ‘ফাঁকা’ বীরভূমে বর্তমানে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।এদিন অনুব্রত মণ্ডলকে বিঁধলেন সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।তিনি বলেন, “বীরভূমে গিয়ে প্রথমবার লোককে হাসতে দেখলাম”

বীরভূম সফরের প্রসঙ্গ তুলে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “বীরভূমে গিয়ে প্রথমবার লোককে হাসতে দেখলাম। খুশি দেখলাম। রাস্তায় বেরিয়েছিল লোক। গতবারে গিয়েছিলাম। সকালে চায়ের দোকানে চা খেতে পারিনি। চা চক্র করব বলে চায়ের দোকান বন্ধ করে দিয়েছিল। এবার একাধিক জায়গায় গিয়ে চা খেলাম। লোকে হেসে ডেকে চা খাওয়াচ্ছে। বিহারের লোকেরাও ভাবছে লালুকে দেবে। বেরোলে তো।”

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির পর বীরভূম এখন কার্যতই ফাঁকা মাঠ। সেই সুযোগে গোল দিতে নেমে পড়েছে বিজেপি। ‘কেষ্টদা’ ফিরে আসতে পারে বলে বীরভূমবাসীকে স্মরণও করান দিলীপ।

বিজেপি-র কর্মসূচিতে যোগ দিতে বুধবার থেকে বীরভূমে ছিলেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ। বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে হাঁটতে বেরোন তিনি। পৌঁছে যান বোলপুরের শ্রীনিকেতন কিষাণ মান্ডিতে। সেখানেই অনুব্রতর নাম ওঠে তাঁর মুখে।

চা চক্রের ফাঁকে তাঁর মুখে শোনা যায় অনুব্রতর নাম। অনুব্রত জেলে রয়েছেন বলে তিনি জামবুনির চায়ের দোকানে বসে চা খেতে পারছেন বলেই দাবি বিজেপি নেতার।

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ জটের জল গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্টেও। এই প্রসঙ্গেও এদিন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। তাঁর কটাক্ষ,”রাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের মাইনে দিতে পারছে না। কারণ, বীরভূমে সিন্ডিকেট থেকে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা লুট করছেন তৃণমূল নেতারা। রাজ্য সরকার মাইনে দিতে পারবে কী করে? বীরভূমের সমস্ত কিছু লুট হয়েছে। এবং তা দিয়ে নিজেদের ভাণ্ডার ভরেছেন তৃণমূল নেতারা।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close