খবররাজ্য

সিপিএমের মীনাক্ষী ‘লেডি সুশান্ত ঘোষ’, হাত কাটার হুশিয়ারি নিয়ে বাম নেত্রীকে পাল্টা দেবাংশুর

মহানগর বার্তা ডেস্ক : সোমবার বীরভূমের লোহাপুরে এক দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ডিওয়াইএফআই নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।সভা মঞ্চ থেকে মীনাক্ষীর হুমকি, সরকারি প্রকল্প থেকে উপভোক্তার নাম বাদ দিলে, সেই হাত গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। এবার লালেরাই রাস্তায় থাকবে বলেও এদিন বার্তা দেন বাম যুবনেত্রী।

মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যের পাল্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন তৃণমূলের যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি লেখেন,”হাত কাটা থেকে হাত পাকাতে চায় মিনুদি। বড় হয়ে বাপ দাদুদের মত মুন্ডু কাটবে..কচি ফুল্লরা, লেডি সুশান্ত ইজ ইন মেকিং ।”

ডিওয়াইএফআই-এর ২০ তম বীরভূম জেলা সম্মেলন উপলক্ষ্যে লোহাপুরে এক জনসভা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, সুদীপ্ত, আনিস খানরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে নেমে প্রাণ দিয়েছেন। সেই লড়াই কোনওভাবেই বামেরা ব্যর্থ হতে দেবে না। মীনাক্ষীর কথায়,”সুদীপ্ত লড়াই করেছে, তাই ওর ঘিলুটা ফাটিয়ে রাস্তায় ফেলে দিয়েছে। ও গণতন্ত্রের জন্য লড়েছে। আনিস খান গণতন্ত্রের জন্য লড়েছে। তাই আনিসকে বাড়ির ছাদ থেকে ঠেলে ফেল দিল। মানুষের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করছে বামপন্থীরাই। মানুষের জীবন জীবিকা নিয়ে যখন বামপন্থীরা লড়ছে, তাদের হাতটা শক্ত করে ধরুন। একবার দেখিয়ে দিন জোর কার কত বেশি।”

এদিন মীনাক্ষী দাবি করেন, তৃণমূলের পতাকা হাতে না নিলে হুমকির মুখে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। বাম রাজনীতিকে সমর্থন করার জন্য নানা সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করে দেওয়া হয় মানুষকে বলেও অভিযোগ তাঁর। এদিন মীনাক্ষী প্রশ্ন তোলেন, সরকারি প্রকল্পের টাকাগুলো কোথা থেকে আসছে? তৃণমূলের ঘরের টাকা নাকি রাজ্য সরকারের? মীনাক্ষীর কথায়,”ওরা বলছে সিপিএমের সঙ্গে গেলে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাদ দিয়ে দেবে। এটা কি তৃণমূলের সম্পত্তি নাকি? এটা রাজ্য সরকারের প্রকল্প। রাজ্য সরকার নিজের মায়ের গলার সোনার হার বিক্রি করে টাকা দিচ্ছে না। আমার আপনার ট্যাক্সের টাকায় দিচ্ছে। আমাদের পয়সা থেকে দিচ্ছে। বরং এবার আমরা পাহারা দিচ্ছি। কোনও প্রকল্প থেকে আমাদের নাম যদি বাদ দিয়েছে যে হাতে নাম বাদ দেবে সেই হাত হাতে থাকবে না, গলায় ঝুলবে। তার ব্যবস্থা আমরা করব।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close