খবররাজ্য

বামেরা শূন্য হলেও ভাল, বান্ধবীর বাড়িতে কোটি কোটি টাকা নেই: মীনাক্ষী

মহানগর বার্তা: ধর্মতলার ইনসাফ সভা। আর সেখান থেকেই একের এক বাক্যবাণে বিদ্ধ হল শাসক দল তৃণমূল। মুহূর্তে মমতা বিরোধী হুঙ্কারে গমগম করল চারপাশ। মঞ্চে (মঞ্চ ঠিক নয়, একটি গাড়ি) তখন মীনাক্ষী সঙ্গে বাকিরা। মুখে, নিজেকে নেত্রী বা সোশ্যাল-প্রচারে ক্যাপ্টেন, সবটা না মানার কথা বারবার বললেও সম্পূর্ণ সভায় যেন তিনিই সব। তাঁকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে সম্পূর্ণ গতিপথ। বদলে যাওয়া সভাস্থল আর লাল সমুদ্রের সামনে একে একে মন্তব্য অস্ত্র নিক্ষেপ করলেন তৃণমূল, প্রশাসন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দ্যেশ্যে। এদিন শুধু মঞ্চ নয়, বাম যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় একাধিক সংবাদমাধ্যমে উগড়ে দিলেন ক্ষোভ। স্বমহিমায় বিদ্ধ করলেন রাজ্য সরকারকে।

এদিন একটি বেসরকারি বাংলা সংবাদমাধ্যমে মীনাক্ষী বলেন, ”গত ১১ বছরে এমন কোনও অঞ্চল নেই যেখানে হয় তৃণমূল অথবা পুলিশের আক্রমণ হয়নি আমাদের কমরেডদের উপরে। খুন হয়েছেন তাঁরা।” ধর্মতলায় সভা নিয়ে মীনাক্ষীর মন্তব্য, ”ধর্মতলা কোনও পক্ষের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হতে পারে না, এটা হাইকোর্টকে নির্দেশ দিতে হবে। পুলিশ শেষ কথা বলবে না, মানুষ বলবে। তারা শুধু আইনের রক্ষক। কিন্তু যখন তারাই ভক্ষক হবে তখন মানুষের বাঁধা আসবেই।” বাম যুব নেত্রীর দাবি, ”রাজ্যে বহু পরিবারে আজ উৎসবের আলো জ্বলবে না। যেখানেই অন্যায় হবে মানুষ এর বিরুদ্ধে ইনসাফ সভা করবে। পুলিশের নিষেধ করা অন্যায়, অপরাধ। এটা পুলিশ করতে পারে না। ১১ বছর ধরে এটা করছে। আজকের সভা ভয় ভাঙিয়ে দিয়েছে মানুষের। তৃণমূলের প্রতি ভয়। পুলিশের প্রতি ভয়।” তৃণমূলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “তৃণমূলের মতো দল নয় আমাদের। সংগঠন আছে। ওদের মতো ইধার-ওধার চুরি করে বেরায় না। আমরা বলছি, গ্রামে গ্রামে এই সভা হবে, আপনারা তৈরি থাকুন। ছাত্র যুবরা শূন্য নয়। ওদের থেকে ভাল। ২১৮ পাওয়ার পরেও তো বান্ধবীর বাড়িতে কোটি কোটি টাকা।” মীনাক্ষীর হুঁশিয়ারি, “মানুষের জেদ, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেওয়ার লড়াই। বামেদের বহু লড়াইয়ের প্রতিফলন।” আর সিবিআইকে তাঁর পরামর্শ, ”কাউকে খুশি করতে নয়, সংবিধান রক্ষায় কাজ করুন। নাকে সর্ষের তেল দিয়ে ঘুমোবেন না। আমরা পাহারায় রইলাম।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close