আন্তর্জাতিক

“ট্রাম্প তো মিথ্যেবাদী, সবাই জানে!” নির্বাচনের আগে আবারও বিস্ফোরক বাইডেন

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচনের মাত্র ৩৫ দিন আগে বুধবার ফের একবার উত্তপ্ত বাকযুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর প্রতিপক্ষরা। আগামী ৩রা নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচন। সাম্প্রতিক কালের বিশ্ব রাজনীতিতে এই নির্বাচনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নিজের পুনর্নির্বাচন প্রত্যাশা করছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এবং এই পুনর্নির্বাচন ঠেকিয়ে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রেসিডেন্ট উপহার দিতে সর্ব শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন জো বাইডেন ও ডেমোক্রেটিক দলের অন্যান্য সদস্যরা।

 

বাইডেনই এবছর ডেমোক্রেটিক দলের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী। এই উপলক্ষ্যে এদিন এক সংস্থার আয়োজিত বিতর্ক সভায় যোগ দেন তাঁরা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এটিই প্রথম বিতর্ক সভা। ক্লিভল্যান্ডে আয়োজিত নব্বই মিনিটের এই টেলিভিশন শো-র মঞ্চে উঠে পারস্পরিক করমর্দন করেন নি জো বাইডেন এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 

যদিও দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর এই আচরণ কোভিড সংক্রান্ত দূরত্ব বিধিরই অন্তর্গত, তবু পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়ের এই অভাব যেন দুই দলের মধ্যে তৈরি হওয়া তিক্ততারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে হয়েছে। বস্তুত, এই মঞ্চে আসার কিছু আগেই জো বাইডেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।

বলা বাহুল্য, এমত উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে শুরু হওয়া বিতর্ক সভায় ঠান্ডা মাথায় ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারেন নি দুজনের কেউই। একাধিক বার ধৈর্য্য হারিয়েছন বাইডেন ও ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, বর্তমান প্রেসিডেন্টকে ‘মিথ্যেবাদী’ আখ্যাও দিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি। তিনি বলেছেন, “আসল কথা হল, এতক্ষণ ধরে উনি (ট্রাম্প) যা যা বলে চলেছেন তার সবটাই সর্বৈব মিথ্যা। এখানে ওঁর মিথ্যে কথা শোনার জন্য আমি আসি নি। সবাই জানে ওঁ মিথ্যেবাদী। আপনারা ভুল লোককে ভুল পদে নির্বাচিত করেছিলেন।

 

এছাড়া “কোভিড পরিস্থিতিতে ট্রাম্প গৃহীত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ভুল কিছু নীতির কারণেই যে আজ দুই লক্ষের ওপর আমেরিকাবাসী নিহত, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দিতে এদিন ভোলেননি বাইডেন। ট্রাম্প নিজের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পরিকল্পনা ব্যক্ত করলে তিনি বলেন, “ওঁর কোনো পরিকল্পনা নেই। ওঁ কি বলছে নিজেই জানে না।”সবমিলিয়ে নভেম্বরের তিন তারিখের আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তপ্ত। কার মুখে হাসি ফোটে সেটাই এখন দেখার।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close