রাজ্যরাজনীতি

বিশ্বভারতীর ঘটনা নিয়ে খোলা চিঠি শঙ্খ ঘোষ, সব্যসাচী চক্রবর্তী সহ বাংলার সুধিজনদের

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক : ঐতিহ্যের বিশ্বভারতী আজ স্বমহিমায় অস্তিত্ব সংকটের দোরগোড়ায়। ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর পৌষ মেলার মাঠের পাঁচিল ভাঙা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে কাঁদা ছোড়াছুড়ি। একদিকে যেমন শাসকদল তৃণমূল এই ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষকে দায়ী করেছে অন্যদিকে বিজেপির সরাসরি নিশানায় রয়েছে স্বয়ং তৃণমূল। এই ঘটনাকে কেন্দ্রীভূত করেই এবার আক্ষেপ প্রকাশ করলেন কবি শঙ্খ ঘোষ।

প্রসঙ্গত, ‘বিশ্বকবির আশ্রম আজ রাজনীতির কাদামাখা কুস্তির আখড়ায় পরিণত হয়েছে’ এমনটাই মন্তব্য করে এবার খোলা চিঠি লিখলেন কবি শঙ্খ ঘোষ। এই চিঠির মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, “অতি সম্প্রতি ঐক্যমত ও সহযোগিতার প্রস্তুতি ছাড়াই কতৃপক্ষের বিশ্বভারতীর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, এর ফলেই এক অরাজক ভাঙচুর এবং পরবর্তী সময়ে যে অচলাবস্থা তৈরী হয়েছে, বিশ্বকবির আশ্রম এতে নিজ গৌরব খর্ব করে কুস্তির আখড়াতে নিজেকে স্থাপন করতে চলেছে।”

এছাড়াও এই অনভিপ্রেত ঘটনাকে কোনোভাবেই সমর্থন না জানিয়ে তিনি লিখেছেন,” সম্মিলিত শুভবোধ ও উদারতাই পারে বাংলা ও বাঙালির আবেগজড়ানো বিশ্বভারতীর শান্তি ও মর্যাদা রক্ষা করতে।” জানা গিয়েছে, এই চিঠির প্রতি সম্মতি জানিয়ে এতে সই করেছেন তরুণ মজুমদার, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, মনোজ মিত্র, বিভাস চক্রবর্তী, চন্দন সেন, অনিক দত্ত, সব্যসাচী চক্রবর্তী প্রমুখ।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক ময়দানে এই ঘটনাকে নিজ নিজ মহিমায় সাজিয়ে একে অপরের প্রতি চাপানোর চেষ্টা করা হলেও জানা গিয়েছে এই ঘটনার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে ইডি। প্রাথমিক সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, গত সোমবার পৌষ মেলার মাঠের পাঁচিল ভাঙতে যে শয়ে শয়ে লোক জড়ো হয়েছিলো তার আগেই সেখানে স্থাপন করা হয়েছিলো খেলার মাঠ বাঁচানোর জন্য অন্য আরেকটি মঞ্চ। তবে তাদের এই জমায়েত পূর্ব পরিকল্পিত ছিলো নাকি নিছকই উদ্বেগ প্রশমিত করার চেষ্টায় ভিড় জমানো সেই বিষয়েই তদন্ত করবে ইডি। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইডির এই হস্তক্ষেপকে কোনোপ্রকার সমর্থন জানানো হয়নি। তারা এটিকে কেবলই ‘বিজেপির চাল’ বলেই দাবি করেছে।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close