অন্যান্য

কোয়ারেন্টাইনে মানসিক অবসাদে ভুগছেন? বাড়ি থেকে অবসাদ কাটান একটি সহজ উপায়!

মহানগরবার্তা ওয়েব ডেস্ক : দিন দিন করোনা সংক্রমণের হার যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে নিয়মিত প্রক্রিয়ায় কোয়ারেন্টাইনে থাকার ফলে আমাদেরও ক্রমশ একঘেয়েমির পরিমাণ বাড়ছে।শুধু তাই নয়, ভার্চুয়াল দুনিয়া থেকে শুরু করে বাস্তবজীবনের প্রতিটি মুহূর্তেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে মানসিক অবসাদ। এবার এই অবসাদ কাটাতেই এবার ঘর সাজান অনন্য উপায়ে।

কিছু গাছের ডাল কেটে লাগালেই তা পরিণত হয় হয় নতুন ধরনের কিছু বাহারি গাছে এবং তা দিয়ে খুব সহজেই সাজিয়ে তোলা যায় নিজেদের ঘর। দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত কিছু গাছের কিছু গাছের ব্যাপারে-

১. মনস্টেরা – ইন্টিরিয়র ডিজাইনারদের হঠাৎই প্রিয় হয়ে উঠেছে এই গাছ। গাছটির বড়,বাহাড়ি পাতা ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে । এটিও ডাল কেটে বসালেই হবে। মাটিটা অল্প ভিজে রাখতে হবে । এবং গাছটিকে ছায়ার মধ্যে রাখতে হবে। ১-২ মাস মতো লাগে নতুন পাতা ও শিকড় গজাতে।

২.ক্রোটন – খুবই সহজলভ্য এবং অন্যতম পরিচিত বাহারি গাছ গুলোর মধ্যে বিশেষ ভাবে রয়েছে এই গাছ। তবে সাধারণত এই গাছকে আমরা খুব বেশি গুরুত্ব দিই না, কিন্তু নিয়মিত ডগার দিকটা ছাঁটাই করা হলে ও পর্যাপ্ত রোদ এবং জল পেলে এই গাছই হার মানাতে পারে অনেক নামিদামি গাছকেও।

৩. স্যানসাভেরিয়া – এই গাছটির বিষয়ে এইটুকুই জানা যায় যে, এই গাছের মতো সুন্দর ও আকর্ষণীয় গাছ খুব কমই আছে। পাতার দুপাশে হলুদ দাগসহ, অথবা শুধু সবুজ রঙের হয়। একটা বড় পাতার পুরোটাই তুলে এনে কেটে বসিয়ে দিলেই তৈরি হয়ে উঠবে গাছটি । তবে হ্যাঁ, ২-৩ মাস ধৈর্য্য ধরেতে হতে পারে। তবে একবার হয়ে গেলে বেশ তাড়াতাড়ি বড়ো হতে থাকে এই গাছ।

৪.ড্রাসিনা- বাড়ির বারান্দা বা কোনো বড়ো যায়গাতে এই গাছটি দারুন মানানসই। এটি লম্বা ও সরু গড়নের হয় । এবং এর বিশেষত্ব হলো গাছটির সুন্দর ও সরু পাতা । এটিও ডাল কেটে বসালেই হবে। মাটি রাখতে হবে অল্প ভিজে। গাছটি থাকবে ছায়ায়। ১-২ মাস লাগবে নতুন পাতা ও শিকড় গজাতে।

৫.মানিপ্ল্যান্ট – এই গাছের সঙ্গে আমরা প্রায় সকলেই পরিচিত। ছোট টবে বসিয়ে বারান্দার গ্রিলে রাখলে বা বড় টবের সঙ্গে বাঁশে জড়িয়ে-ঘর সাজানোর জন্য রাখা যায় এই গাছ। এবং কেটে বসালে, সময়ে সময়ে জল এবং কিছু মাসের অপেক্ষাতেই তৈরি হয়ে যায় এই গাছ।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close