ভাইরালআন্তর্জাতিক

উইঘুর মুসলিমদের মসজিদকে টয়লেট বানালো চিন তবুও চুপ ইমরান! ক্ষোভে তোলপাড় নেটপাড়া

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক : সম্প্রতি চিনের জিনজিয়ান প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুরদের উদ্দেশ্যে গ্লানিময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে চিনা কমিউনিস্ট সরকার। এই প্রদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি মসজিদের জায়গায় চিনা সরকার তৈরী করলো গণশৌচাগার। ধর্মীয় তরজায় স্বেচ্ছাচারিতার পদার্পণ,খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই এমনটাই মনে করেছেন নেটদুনিয়ার অসংখ্য মানুষ।

 

প্রসঙ্গত, চিনা সরকারের এই মর্মান্তিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধেই এবার সরব হয়েছেন নেটিজেনরা।এই কর্মকান্ডকে ঘিরে বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে অধিক জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। নিজস্ব টুইট্যার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নেটিজেনরা টুইট্য করে এই ঘটনার বিরোধিতা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, চিনে মুসলিম সম্প্রদায়ের সংকটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এই বিষয়ে পাকিস্তান প্রথমে কোনরকম উচ্চবাচ্য না করলেও পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের এক প্রাক্তন সদস্য টুইট্যের মাধ্যমে এর বিরোধিতা করেছেন।

 

এই বিষয়ে পাকিস্তান পার্লামেন্টের এই প্রাক্তন সদস্য জানিয়েছেন, “এটি অত্যন্ত অবমাননার বিষয়। চিনা সরকার কেবলই চান উইঘুরদের উৎখাত করে তাঁদের সংস্কৃতি এবং ধর্ম নিশ্চিহ্ন করতে।” এছাড়াও এই বিষয়ে একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আতুশ শহরের সুনতাঘ গ্রামের নেইবারহুড কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, “এর আগেও ২০১৮ সালে তোকুল মসজিদ ধ্বংস করে দেয় চিনা সরকার। পরিবর্তে এখানে ওয়াশরুম, গেস্টরুম এবং শৌচাগার তৈরী করেছিলো তারা।অথচ এই অঞ্চলে সবার বাড়িতে শৌচাগার ছিলো এবং এই অঞ্চলে গেস্টরুম তৈরীর কোনোরকম পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়নি।”

 

তবে এই বিষয়ে পাকিস্তান মন্ত্রণালয় কোনোরকম হস্তক্ষেপ না করার ফলেই ক্ষুব্ধ নেটদুনিয়া। এই বিষয়ে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন,”গোটা বিশ্ব যখন করোনার জেরে জর্জরিত তখন ড্রাগন নিজের দেশের সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।” কেউ আবার বলেছেন,”প্রিয় মুসলিম বন্ধুরা ভেঙে পড়বেন না। লড়তে শিখুন। চিনা সরকারের এহেন পদক্ষেপ একেবারেই মেনে নেওয়ার নয়।সবাই এক হন।”

 

 

এছাড়াও তনভি মহাজন নামের এক তরুণী এর বিরুদ্ধে টুইট্য করে জানিয়েছেন,”মধ্য পূর্বের সমস্ত সেকুলার মানুষজন এবং মুসলিমরা আজ কোথায়?? সবাই উইঘুরদের এই সংকটে এক হও। পাকিস্তানের মুসলিমরা উইঘুরদের পাশে দাঁড়াক।” মহম্মদ সাজিদ নামক এক ব্যক্তি জানিয়েছেন,”পাকিস্তান আজ কোথায়?এভাবে চিনা সরকার মসজিদ ধ্বংসে অবতরণ হলো তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সরব হওয়া দরকার।”

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close