দেশ

“দেহ পরিবার না দেখলে পোড়ানো যাবেনা” বলায় নির্যাতিতার ভাইকে চোখরাঙানি ডিএমের

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক: দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অনুমতি পাওয়া যায় হাথরাসে পৌঁছনোর। ২৭ ঘন্টা লড়াইয়ের পর এবিপি নিউজ প্রবেশ করলে জানা যায় নির্যাতিতার পরিবারের অসহায় অবস্থার কথা। অবশেষে চাপের মুখে পড়ে অনুমতি দেয় পুলিশ। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি দেহটা তাদের মেয়ের সেটাই তারা এখনও জানেনা।

এদিন নির্যাতিতার পরিবারের মহিলারা একত্রিত হয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেন, এবং সকলের একই চাওয়া যে এই নির্মম মৃত্যুর সুবিচার দিতে হবে। নির্যাতিতার যেদিন মারা যাবার খবর সামনে আসে সেদিনের কথা জানতে চাইলে নির্যাতিতার ভাই জানায় তাদের যে গাড়িতে করে আনা হয় সেখানে ডিএম ও দিল্লির দুজন পুলিশ উপস্থিত ছিল। ও তাদের বলা হচ্ছিল যে বোনের দেহ তাদের সাথেই অ্যাম্বুলেন্সে শশ্মানে যাচ্ছে।

এরপরই বেঁকে বসে নির্যাতিতার ভাই, বলা হয় এটা যে তাদের বোনের মৃতদেহ সেটাইতো দেখতে দেওয়া হয়নি। আর নির্যাতিতার ভাইয়ের কথা মত “দেহ পরিবারকে না দেখিয়ে পোড়াতে দেবনা”। একথা শোনার পরই ডিএমের চোখরাঙানিতে শশ্মান যাওয়ার ৫০০ মিটার মত দূরত্বে গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। তারপরের ঘটনা সামনে আসে যে পুলিশের তত্ত্বাবধানে জোর করে দেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close