দেশ

অযোধ্যায় মসজিদের চেয়ে ৬ গুণ বড়ো হবে হাসপাতাল, মানবিকতার বার্তা দিল IICF

মহানগরবার্তা ওয়েবডেস্ক: কিছুদিন আগেই রাম মন্দিরের ভূমি পুজোয় এলাহি আয়োজনের সাক্ষী থেকেছিল অযোধ্যা। এবার প্রস্তাব মতোই সেখানে তৈরি হতে চলেছে মসজিদ। তবে অযোধ্যার মসজিদের চেহারা কিন্তু হতে চলেছে ভারতের বাকি মসজিদের চেয়ে কিছু আলাদা।

জানা গেছে, অযোধ্যার মসজিদকে দেওয়া হবে মহাজাগতিক রূপ। মহাকাশের মধ্যে ঘূর্ণায়মান পৃথিবীর আদলে তৈরি করা হবে অযোধ্যার মসজিদ। সেই সঙ্গে মসজিদের নকশায় রয়েছে একটি বিশেষ হাসপাতালের পরিকল্পনা। বহুতলীয় মসজিদে একটি কমিউনিটি কিচেন ও একটি মিউজিয়ামও রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

অযোধ্যার মসজিদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং উল্লেখযোগ্য হল, বাকি মসজিদ গুলির মতো এতে কোনো গম্বুজ বা মিনার বা তোরণ থাকবে না। সাধারণত এগুলিকেই ইসলামিক কাঠামো হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। শনিবার অযোধ্যার মসজিদের নকশা প্রকাশ করা হয়। ইন্দো ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন (IICF) এর অন্যতম স্থপতি এসএম আখতার এদিন মসজিদের নকশা সম্বন্ধে এই তথ্য গুলি জানিয়েছেন।

অযোধ্যার ধান্নিপুর গ্রামে এই মসজিদ তৈরি করা হবে। এটি মূলত আয়তক্ষেত্রাকার হবে। কমিউনিটি কিচেন, হাসপাতাল কিংবা মিউজিয়াম থাকবে মূল মসজিদ থেকে অন্তত কয়েক মিটার দূরে। মাঝে থাকবে একটি শতাব্দী প্রাচীন সুফি মাজার।

জানা গেছে, অযোধ্যার মসজিদে একবারে প্রায় ২ হাজার মানুষের নামাজ পড়ার ক্ষমতা থাকবে। বাবরি মসজিদের চেয়ে এই মসজিদ হবে প্রায় ৪ গুণ বড়। তবে এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, মূল মসজিদের তুলনায় হাসপাতালটি হবে ৬ গুণ বড়। এতে থাকবে প্রায় ৩০০টি বেড।এছাড়া বিশ্ব জুড়ে আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনকে মাথায় রেখে জিরো কার্বনউঠবে ফুট প্রিন্টের থিমে অযোধ্যার মসজিদ গড়ে উঠবে। এখানেই শেষ নয়, গোটা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু রকমের গাছের চারা এই মসজিদ চত্বরে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। শোনা গেছে, আমাজনের গভীর জঙ্গল থেকেও আনা হবে গাছের চারা। সবুজায়নের বার্তা দিতেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close