অফবিটখবর

শিক্ষা মানেনা ধর্মের বিভেদ! কেরলের মুসলিম ইনস্টিটিউটে গীতা পড়ছেন ছাত্র-ছাত্রীরা

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্কঃ ইসলামিক ইনস্টিটিউটে সংস্কৃত শিক্ষা। ধর্মের বেড়া ভেঙে নিজ উদ্যোগে গীতার পাঠ দিচ্ছেন শিক্ষকরা। তাঁরাও আবার ইসলাম ধর্মবলম্বী। অভিনব শিক্ষা সংস্কৃতির নজির গড়েছে কেরালার (Kerala) একাডেমি অফ শরিয়া অ্যান্ড অ্যাডভানসড স্টাডিজ। মুসলিম ইনস্টিটিউটের সিলেবাসে সংস্কৃত ও গীতাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে তাঁরা। তাঁদের এই উদ্যোগ যেমন ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের মনকে মুক্ত করছে, তেমন বাড়তি আগ্রহ তৈরি করছে সংস্কৃত শিক্ষার প্রতি।

কেরালার (kerala) পাত্তাম্বির বাসিন্দা রিনশাদ সি পি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত আগ্রহে তিনি একাডেমি অফ শরিয়া অ্যান্ড অ্যাডভানসড স্টাডিজ থেকে সংস্কৃত শিখছেন। এছাড়া, উপনিষদ, অদ্বৈত দর্শন এবং ভগবত গীতার উপর ক্লাসও করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে ভারতীয় দর্শন এবং হিন্দু ধর্মগ্রন্থ নিয়মিত অধ্যয়নও করেন রিনশাদ। সংস্কৃত ও গীতা নিয়ে পড়াশুনা করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করছেন রিনশাদ। এই মুক্ত শিক্ষায় যাতে আরও ছাত্র-ছাত্রীদের যুক্ত করা যেতে পারে সেই চেষ্টাও করছেন তিনি।

আরও পড়ুন:‘এই সুন্দর পৃথিবীতে ধর্ম নিয়ে ভাবতে চাইনা’, ভাইরাল শাহরুখের মন্তব্য

রিনশাদ বলেন, মুসলিম ধর্মাবলম্বী বিষয়গুলো ছাড়াও গীতা ও সংস্কৃতকেও পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানকে প্রসারিত করতে চান তারা। আর এই মনোভাবের জন্যই আলাদা নজির তৈরি করেছে কেরালার(Kerala) এই মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বলে দাবি রিনশাদের।

আরও পড়ুন: ভিটেমাটির টান! ৭৬ বছর পর আদি বাড়ি খুঁজতে বাংলাদেশ পাড়ি হাওড়ার গায়ত্রীর

এর্নাকুলাম জেলার সুন্নি সংগঠনের সম্পাদক ওনামপিলি মহম্মদ ফয়জি এলাকায় নিজেও একজন সংস্কৃত পন্ডিত হিসাবে পরিচিত। তিনি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র সংস্কৃত পড়িয়েই থেমে থাকেন না তাঁরা। নিয়মিত এই বিষয়ে কর্মশালারও আয়োজন করা হয়। মোট আট বছরের কোর্সের শেষে একটি ধর্মীয় ডিগ্রি প্রদান করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। কালিকট বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষা বিভাগ থেকে স্নাতক স্তরের ডিগ্রি প্রদান করা হয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের।

সবার খবর সঠিক খবর পড়তে চোখ রাখুন মহানগর বার্তায়

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close