রাজনীতি

‘রিগিং না করলে তৃণমূল ২০০ আসন পেত না’, রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিসরে সমগ্র বাংলা জুড়ে যে অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছিলো তা যেন এখনো ক্রমবর্ধমান। বর্তমানে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসে নিয়ে একপ্রকার ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল ও বিজেপি দু-দলই কাদা ছোড়াছুড়িতে ব্যস্ত হলেও ভোট প্রাক্কালে নির্বাচন কমিশনের দায়বদ্ধতা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন।

প্রসঙ্গত, এদিন ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, “সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছিলো। ভোটের সময় বিভিন্ন বুথেই রিগিং করা হয়েছে তাই জন্য তারা ভোটে জিতেছে। এভাবে ভোট রিগিং যদি না হতো তৃণমূল হয়তো ২০০টা সীট পেতেন না এবং সমানে সমানে লড়াই জারি থাকতো।” পাশাপাশি তাঁকে আজকের বিজেপির বিধানসভায় ওয়াক আউট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,”তৃণমূলের অবস্থা ভীষণ শোচনীয়। একজন বিরোধী দলনেতার পরিবার, পরিজন নিয়ে গালিগালাজ চলছে বিধানসভায়। বিধানসভা এখন কালিমালিপ্ত ফলে যা হওয়ার হয়েছে।”

উল্লেখ্য, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব এখন তৃণমূল সরকারও। তাদের তরফে অভিযোগের সরাসরি তীর বিজেপির দিকে। এদিন বিধানসভার অধিবেশনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি জানান,”নির্বাচন কমিশন যদি বিজেপির সহায় না থাকতো তাহলে বিজেপি ৩০টার বেশি ও আসন পেতোনা। এই দলটা পুরোপুরি ভাবেই সংবাদমাধ্যম নির্ভরশীল।”

এছাড়াও তিনি বিজেপিকে ‘ল্যাজ ছাড়া হনু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে জানান, “মেদিনীপুরের ঘরে ঘরে এখন অত্যাচার চলছে। ফল দেখে এখন বোঝা যাচ্ছে এটা বিষবৃক্ষ। ভোটের আগে ওরা যেরকম এসপি বদলে নন্দীগ্রামে ভোটে কারসাজি করেছে এখন বাংলায় হেরে গিয়ে কর্মী সমর্থকদের উপর অত্যাচার করে আশ মেটাতে চাইছে।”

এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,”গত ৫ তারিখ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ গ্রহণ করেছেন। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত আমাদের প্রায় ত্রিশজন কর্মী মারা গিয়েছে। গোটা বাংলা জুড়ে এক অরাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ওরা এখন ভোটের পর আমাদের কর্মীদের উপর অত্যাচার করেছে। যা এখন গোটা বাংলার মানুষের কাছে পরিষ্কার।”

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close