ভাইরাল

ময়ূরকে খাবার দিচ্ছেন গরীব সবজি বিক্রেতা, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে মোদিকে খোঁচা বিরোধীদের

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক : সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর নিজের টুইট্যার অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন যেখানে দেখা গিয়েছিলো তিনি একটি ময়ূরকে নিজের হাতে খাওয়াচ্ছেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার সাথে সাথেই ট্রোলের শিকার হন তিনি। শুধু তাই নয় কংগ্রেস নেত্রী লাবণ্য দেবীও তাঁকে ট্রোল করে সোশ্যাল মিডিয়াতে পাল্টা টুইট করেন। উল্লেখ্য এদিন ফের একটি বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

প্রসঙ্গত, সিপিআইএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এই পোস্টটিকে ঘিরেই একটি ভিডিও টুইট করেন।যেখানে দেখা যায় এক মহিলা সব্জি বিক্রেতার হাত থেকে খাওয়ার খাচ্ছে একটি ময়ূর ।সেখানে তিনি লেখেন, “এই ময়ূরটিকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে সে কতটা খুশি এবং নিশ্চিন্ত। কিন্তু অন্যদিকে অন্যকেউ এই ‘ময়ূর মনস্কতার’ আঙ্গিকে নিজেকে প্রদর্শন করে চলেছে।

 

অন্যদিকে, বিহার বিজেপির প্রধান মুখপাত্র রজনী রঞ্জন প্যাটেলের কথায়, “লালুপ্রসাদ তার বাংলোতে ময়ূরকে খাঁচাবন্দী করতে চেয়েছিলেন। আর প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সুপ্রশস্ত বাগানে ময়ূররা নিজে থেকেই আসে, অবাধে ঘুরে বেড়ায়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বন্যপ্রাণী ভালবাসেন বলে ময়ূররা তাঁর কাছে আসতে ভালবাসে। এখানে ময়ূর পোষার বা আইন ভাঙার কোনও প্রশ্নই ওঠে না!”শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনই এবং দিল্লির জেএনইউ ক্যাম্পাস-সহ বহু জায়গাতেই অসংখ্য ময়ূর যে অবাধে ঘুরে বেড়ায় এই কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

https://twitter.com/t_d_h_nair/status/1297819630044553216?s=19

এই বিষয়ে অন্যতম বিরোধী দল আরজেডি-র নেতা শ্যাম রজক বলছেন, “বছরতিনেক আগে যখন লালুপ্রসাদজির বাংলোতে দুটো ময়ূর ছাড়া হয়েছিল তখন কিন্তু এই বিজেপিই বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল।”১৯৭২ সালে দেশের পার্লামেন্টে পাস হওয়া এই আইন অনুসারে ময়ূর একটি বিপন্ন প্রাণী এবং বাড়িতে ময়ূর পোষা সম্পূর্ণ বেআইনি।”এখন দেশের আইন তো প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে লালুপ্রসাদ যাদব – সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত!”

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close