দেশ

হিন্দু নাবালিকাকে জোর করে বিয়ের চেষ্টা করল মুসলিম ব্যক্তি, পড়ানো হল নামাজ, কোরান

মহানগরবার্তা ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ থেকে অপহরণ করা হয়েছিল তাকে, অবশেষে পশ্চিমের গুজরাট থেকে উদ্ধার পেল ১৪ বছর বয়সী এক নাবালিকা। জানা গেছে অপহৃতা নাবালিকা হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এক মুসলমান ব্যক্তি তাঁকে অপহরণ করেছিলেন। অপহরণের প্রায় মাসখানেক পর মেয়েটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গুজরাট থেকে উদ্ধারের পর অপহরণকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে নাবালিকা। সে জানিয়েছে তাকে জোর করে নামাজ এবং কোরান পড়তে বাধ্য করে ওই ব্যক্তি। ধর্মান্তরিত করণের চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে সহিদুল রহমান নামের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। একটি অডিও বার্তায় নাবালিকা এবং তাকে উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যের একটি কথপোকথন সামনে এসেছে, যেখানে নাবালিকা জানিয়েছে তার অভিযোগের কথা। নামাজ পড়ার সাথে সাথে তাকে আরবি ভাষায় কোরান পড়তেও বাধ্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সে।

এখানেই শেষ নয়, সহিদুল রহমানের বিরুদ্ধে নাবালিকার আরো অভিযোগ তিনি তাকে বিয়ে করার চেষ্টাও করেছেন। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মসজিদে তারা যায় নি কিন্তু একটি লোককে বাড়িতে ডেকে নিকানামা পাঠ করে সহিদুল। এরপর ওই বালিকাকেও তা পড়তে বাধ্য করা হয়। ওই ব্যক্তি বারবার তাকে জানায় যে এখন থেকে সেই তার স্বামী। এমনকি নাবালিকার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনেরও চেষ্টা করেন সহিদুল রহমান।

জানা গেছে , ওই নাবালিকা পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার হামিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ৬ অক্টোবর গ্রাম থেকে সে নিখোঁজ হয়। জীবনতলা পুলিশ স্টেশনে এ বিষয়ে এফআইআর দায়ের করা হয়। দিল্লির মিশন মুক্তি ফাউন্ডেশন নামে একটি বেসরকারি সংস্থা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহিদুল রহমান নামে ওই ব্যক্তির ফোনকলের রেকর্ড জোগাড় করে ওই সংস্থা। জানা যায় ওই ব্যক্তি প্রথমে বিহার, পরে রাজস্থানে ছিলেন। অবশেষে গুজরাট থেকে উদ্ধার করা হয় নাবালিকাকে।

এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির অপরাধ দমন শাখা।১১ই নভেম্বর সহিদুল রহমানের সঠিক অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। দিওয়ালির দুদিন আগে ১২ নভেম্বর বালিকাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। জানা গেছে সহিদুল রহমান নামের ২৮ বছর বয়সী ঐ অপহরণকারী আগে থেকেই বিবাহিত। একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close