খবরদেশ

‘ঘৃণা ছড়াবেন না, বরং দেশের বাস্তব সমস্যা নিয়ে কথা বলুন’, মোদিকে খোঁচা চিদম্বরমের

মহানগর বার্তা ডেস্ক: ভারতের থেকে এগিয়ে পাকিস্তান। আরও এগিয়ে বাংলাদেশ। এশিয়ার একাধিক দেশের তুলনায় আন্তর্জাতিক ক্ষুধা সূচকে ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে ভারত! ২০২০ এর পর ফের আর ৬ ধাপ পিছিয়ে ভারতের স্থান হল ১০৭। যা ২০২০-এ ছিল ১০১। শুক্রবার প্রকাশিত গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের স্থান ৯৯, বাংলাদেশ ৮৪, শ্রীলঙ্কা ৬৪ তম স্থানে। আর ভারত মোট ১২১ দেশের ওই তালিকায় রয়েছে ১০৭ নম্বরে।

যে রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের স্কোর ২৯.১। যা ২০০০ সালে ছিল ৩৮.৮ এবং ২০১৪ সালে ছিল ২৮.২। এই নম্বরের ক্ষেত্রেও ক্রমশ অবনমন হয়েছে নম্বরের। গত ৮ বছরে খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। যা করোনা কালের অবস্থাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যার ১৬.৩ শতাংশ মানুষ এই ক্ষুধার অভাবে ভুগছেন, বলছে ওই রিপোর্ট। যা ২০১৪ সালেও ছিল ১৪ শতাংশের কাছে। অর্থাৎ প্রায় ২ শতাংশ মানুষের কষ্ট বেড়েছে। সার্বিক ভাবে অপুষ্ট শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে এই সময়কালে, বলছে ওই রিপোর্ট।

এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। সিপিআইএম থেকে কংগ্রেস, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তাঁরা। দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম তোপ দেগেছেন মোদীকে। তিনি টুইটারে লিখেছেন, ”প্রধানমন্ত্রী দেশের বাস্তব সমস্যা নিয়ে বলবেন কবে? যখন দেশের ২২.৪ কোটি মানুষ ক্ষুধায় অযত্নে রয়েছে। দেশ ক্ষুধা সূচকে পিছিয়ে ১০৭ এ রয়েছে।” চিদম্বরম বলেন, ২০১৪ সাল থেকেই দেশের পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। আগের থেকে অবনমন হয়েছে দেশের। তিনি একাধিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, কংগ্রেস আমলের তুলনা করতে গিয়ে।

কংগ্রেস নেতা বলেন, “দেশের ৩৫.৫ শতাংশ শিশু অসুবিধায়। ১৯.৩ শতাংশ শিশু মারাত্মক সমস্যায়। আর সরকার হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে, ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে। ক্ষুধার কথা না ভেবে।”

এর সঙ্গেই মুখ খুলেছেন সিপিআইএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি। তিনি বলেন, ‘মোদীর রাজত্ব অন্ধকারের রাজত্ব!’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close