দেশ

“পুলিশ আমাদের ফোন কেড়ে নিয়েছে, মারধরও করছে”, বলল হাথরাসের নির্যাতিতার ভাই

মহানগরবার্তা ওয়েবডেস্ক:হাথরাস কান্ডে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা এবার বড়সড় প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়াল। নির্যাতিতার পরিবারকে কার্যত গৃহবন্দী করে রাখার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশি বেড়াজাল থেকে কোনোরকমে পালিয়ে এসে নির্যাতিতার ছোটো ভাই মিডিয়াকে জানাল, তাদের ফোন কেড়ে নিয়ে ঘরে আটকে রাখা হয়েছে। পুলিশ তাদের মারধরও করেছে বলে জানায় সে। এদিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা হাথরাসে পৌঁছোতে চাইলে পুলিশ তাঁদেরকেও বাধা দেয়। দেখা যায়, গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে লাঠিধারী পুলিশ।কেন এই গোপনীয়তা? কেন মিডিয়াকে বাধা? প্রশ্নের উত্তরে মুখে কুলুপ পুলিশ কর্মীদের।

হাথরাস থেকে সরাসরি সম্প্রচারে দেখা যায় একটি বালক ক্ষেতের মধ্যে দিয়ে কোনোরকমে দৌড়ে মিডিয়ার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সে জানায় হাথরাস নির্যাতিতার ভাই সে। পুলিশের নজর এড়িয়ে কোনোরকমে মিডিয়া পর্যন্ত পৌঁছেছে ওই বালক। পুলিশ অবশ্য মিডিয়া অবধি পৌঁছোনোর আগেই তাকে ধমক দিয়ে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করে।ক্যামেরার দিকে পিছন ঘুরে চ্যানেল গুলির সরাসরি সম্প্রচারে মিডায়ার কাছে সে বলে তার মা তাকে সেখানে পাঠিয়েছেন। পুলিশ তাদের ফোন কেড়ে নিয়ে তাদের কাউকে ঘর থেকে না বেরোনোর আদেশ দিয়েছে। “আমাদের পুলিশ ঘরে আটকে রেখেছে। বলেছে, কেউ বাইরে বেরোবে না। বাইরে মিডিয়া এসেছে। আমাদের সবার ফোন নিয়ে নিয়েছে।” শুধু তাই নয়, পরিবারের লোকজনকে মারধর করার অভিযোগও উঠেছে যোগী রাজ্যের পুলিশের বিরুদ্ধে। ওই বালক জানায়, “ওঁরা (নির্যাতিতার মা এবং বউদি) মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে চায়।”একাধিক পুরুষ ও মহিলা পুলিশের দ্বারা বারংবার বাধার সম্মুখীন হয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

অথচ কেন ওই পরিবারের কাছে সংবাদমাধ্যমকে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না, তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি পুলিশ। এই ঘটনার প্রথম থেকেই যোগী পুলিশের আচরণ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দলিত পরিবারটির উপর প্রশাসনের চাপ যে পাহাড় প্রমাণ হয়ে উঠেছে আজকের ঘটনা থেকে তা সহজেই অনুমেয়।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close