খবররাজ্য

বাঙালির বিশ্বজয়! সমুদ্র বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে স্বীকৃতি পেল কোয়েনা মুখোপাধ্যায়

মহানগর বার্তা ডেস্ক : শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে রাজ্য প্রশাসনের। শিক্ষার মান নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। বিরোধীরাও কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না। এরই মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্ব দরবারে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন কোয়েনা মুখোপাধ্যায়। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের মেয়ে কোয়েনা। সমুদ্র বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা( Research) করছিলেন তিনি। এবার বিশ্ব মঞ্চে তাঁর এই গবেষণা স্বীকৃতি পেল। এই অবদানের জন্য এক ফরাসি সংস্থা ‘সি টেক’-র বার্ষিক অধিবেশনে ডাক পেয়েছেন তিনি। বিশ্বের ১০ জন বিজ্ঞানীদের মধ্যে ভারত থেকে একমাত্র কোয়েনাই মনোনীত হয়েছেন। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সে এই অধিবেশনের যোগ দেবেন তিনি।

আরও পড়ুন: টাকা নিয়ে দেশের ক্ষতি নয়, মদের ব্র্যান্ডের ১০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপনে ‘না’ আল্লু অর্জুনের

কীভাবে সমুদ্রের নীচ দিয়ে যাতায়াত করা যায়, এটাই ছিল কোয়েনা গবেষণার(Research) মূল বিষয়বস্তু। ডুবো জাহাজ নয়, রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে সমুদ্রের নীচ দিয়ে যাতায়াত করার উপায় নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি। মাছ সমুদ্রের নীচ দিয়ে জলের গতির বিরুদ্ধে যাতায়াত করে। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই কোয়েনা এই গবেষণা চালাচ্ছেন। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন কোয়েনা। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন রায়গঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে। তারপর হলদিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে বিটেক করেন। দেশের দু’টো এনআইটি থেকে দু’বার এমটেক করেন তিনি। পরে ২০১৬ সালে দিল্লির আইআইটি থেকে পিএইচডিও শেষ করেন। বর্তমানে কোয়েনা অসমের শিলচরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির অধ্যাপক পদে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে পূজার্চনার দাবি খতিয়ে দেখবে আইন, ঘোষণা বারাণসী জেলা আদালতের

কোয়েনার বাবা সিপিআই নেতা শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায় ও মা দুজনেই শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি তাঁরাও। শ্রীকুমারবাবু জানান, “আমার মেয়ে বলে নয়, ওঁর সাফল্য রাজ্যের তথা দেশের সাফল্য।” এই সাফল্য পেয়ে স্বাভাবিকভাবে খুশি কোয়েনা নিজেও। তিনি জানান, “মাতৃভাষায় শিক্ষা যে প্রকৃত শিক্ষা হয়, তার সুফল আমি জীবনে উপলব্ধি করেছি। মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চা আমার ভীতটা মজবুত করে দিয়েছে।”

সবার খবর সঠিক খবর পড়তে চোখ রাখুন মহানগর বার্তায়

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close