বিনোদন

“রিয়া একজন যোদ্ধা, ওকে শক্ত হতেই হবে”, জামিনের পর বললেন রিয়া চক্রবর্তীর মা

মহানগরবার্তা ওয়েবডেস্ক: রিয়া চক্রবর্তীর গ্রেফতার এবং দীর্ঘ দিন পর অবশেষে জামিন পাওয়ার বিষয়ে এবার মুখ খুললেন তাঁর মা। রিয়া চক্রবর্তীর মা সন্ধ্যা চক্রবর্তী সংবাদমাধ্যমের কাছে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে নিজের এবং তাঁর পরিবারের বর্তমান মানসিক অবস্থার কথা জানান। তাঁদের পরিবার কতটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে এগিয়েছে তাও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন এখনও তাঁদের কঠিন সময় শেষ হয় নি।

বুধবার জামিনে মুক্ত হয়েছেন রিয়া চক্রবর্তী। প্রায় একমাস কারাবাসের পর ব্যক্তিগত একলক্ষ টাকার বন্ডে তাঁকে মুক্তি দিয়েছে আদালত। যদিও রিয়ার ভাই শৌভিক চক্রবর্তী এখনও জেলেই আছেন। তাঁর জামিনের ব্যবস্থা এখনও করা যায় নি। ভাই বোন দুজনকেই বলিউডের মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রিয়ার মা সন্ধ্যা চক্রবর্তী নিজের সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, এই কঠিন সময়ে তিনি পরিবারের সকলকেই শক্ত হওয়ার কথা বলতেন এবং এই পরিবার যাতে অক্ষত থাকে তার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। এছাড়াও সন্ধ্যা বলেন যে তাঁর মেয়ে একজন যোদ্ধা এবং সে নিজেই তাঁর যত্ন নিতে সক্ষম।

“ও যা কিছুর মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, কীভাবে এর থেকে বেরিয়ে আসবে? তবে ও একজন যোদ্ধা। ওকে অবশ্যই শক্ত হতে হবে। এই ট্রমা কাটিয়ে ওঠার জন্য আমাকে ওর থেরাপি করাতে হবে”, বলেন রিয়ার মা। ছেলে শৌভিকের জামিনের আর্জি খারিজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এখনও জেলে রয়েছে এবং আগামীকাল কী হবে সে সম্পর্কে আমি ভীত। আমার বাচ্চারা যখন জেলে রয়েছে তখন আমি আর ঘুমাতে পারি না, খেতে পারি না। আমি মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়ি। এরপর কী হবে তা নিয়ে আমি ভয় পাই।”

শুধু তাই নয়, রিয়ার মার আরো বক্তব্য, পরিস্থিতি এক সময় এমন হয়েছিল যে তিনি আত্মহত্যা করার কথাও ভেবেছিলেন। তিনি বলেন, “আমার পরিবারকে কেবল একটি কোণে ঠেলে দেওয়া হয়নি, তাকে ধ্বংস করা হয়েছে। এক পর্যায়ে আমি ভেবেছিলাম এটি শেষ করার একমাত্র উপায় আমার জীবন শেষ করে দেওয়া। থেরাপির পরে আমি এখন নিজেকে দৃঢ় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

প্রসঙ্গত ,অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর তাঁর বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীকে মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করে এনসিবি। মেয়ের জামিনের পর অবশেষে তা নিয়ে মুখ খুললেন সন্ধ্যা চক্রবর্তী।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close