বিনোদন

“সুশান্ত চরিত্রহীন, কেরিয়ার সামলাতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে,” বিস্ফোরক শিবসেনা

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্কঃ সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু প্রসঙ্গে আবারও মুখ খুলল শিবসেনা। এবার প্রয়াত অভিনেতাকে তাঁরা কাপুরুষ বলে অপমান করলেন। শুধু তাই নয়, সুশান্তকে চরিত্রহীন বলে অভিহিত করতেও কুণ্ঠা বোধ করেননি তাঁরা। শিবসেনা দল তাঁদের মুখপত্র সামনাতে এদিন লেখেন, সুশান্ত সিং রাজপুত নিজের কেরিয়ার সামলাতে পারেননি। কেরিয়ারের হার, ব্যর্থতা মেনে নিতে পারেন নি। সেই কারণেই তিনি বলিউডের মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন।আর তারপরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এছাড়া বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এই অভিনেতার চরিত্র নিয়েও সামনায় প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। বলা বাহুল্য, এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। সুশান্ত অনুরাগীরা শিবসেনার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, শিবসেনার এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। অভিনেতা এখন জীবিত নেই।নিজের সমর্থনে বক্তব্য রাখার উপায় নেই তাঁর। যে পরিস্থিতিতেই হোক, যে কারণেই হোক, এভাবে সুশান্তকে অপমান করার কোনো অধিকার নেই শিবসেনার।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্তমানে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্যের তদন্ত করছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা সিবিআই। মহারাষ্ট্র সরকারের কাছ থেকে এই তদন্তের ভার গ্রহণ করেছে তাঁরা। গত ১৪ই জুন মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাট থেকে সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। তার পর থেকেই ক্রমশ ঘনীভূত হয়েছে রহস্য। কেন আকস্মিক এই মৃত্যু, আদেও তা আত্মহত্যা কি না, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছিল। মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন অভিনেতার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী।

কিন্তু সিবিআই এই তদন্তে হস্তক্ষেপ করার পরও এখনও কোনও কিনারা হয় নি রহস্যের। এইমসের রিপোর্টে জানা গেছে আত্মহত্যাই করেছেন সুশান্ত। তাঁকে খুন করা হয়েছিল এমন কোনও প্রমাণ মেলে নি। শিবসেনার দাবি, এই মৃত্যু রহস্যের তদন্ত ভুল পথে পরিচালিত হয়েছে। যদি মহারাষ্ট্র সরকার তদন্ত চালাত, তা হলে এত দিনে এর সমাধান হয়ে যেত। সিবিআই তদন্তের কোনো প্রয়োজন ছিল না। মুখপত্র সামনাতে প্রয়াত অভিনেতাকে আক্রমণের এটাই কারণ বলে মনে করছেন সুশান্ত অনুরাগীদের একাংশ।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close