দেশ

মাঝরাতে পরিবারের অমতেই সৎকার ধর্ষিতার দেহ, যোগী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক: হাথরাস গণধর্ষণ কান্ডে এবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতা দলিত তরুণীর মৃত্যুর পর তার দেহ ফেরত চেয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের সামনে ধর্নায় বসে তরুণীর পরিবার। কিন্তু উনিশ বছর বয়সী ওই দলিত তরুণীর মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে না দিয়ে রাতের অন্ধকারে পুলিশ তা দাহ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শোনা যাচ্ছে, পরিবারের সম্মতি ছাড়াই পুলিশ এ কাজ করেছে। হাসরাথ গ্রামের নির্যাতিতা তরুণী মনীষা বাল্মীকির পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের না জানিয়ে মাঝরাতে জোর করে গ্রামে নিয়ে গিয়ে দায় সারা ভাবে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করে পুলিশ। পরিবারের কাউকে সামনে যেতে দেওয়া হয় নি, উপরন্তু তাঁদের নাকি মারধরও করেছে যোগী রাজ্যের পুলিশ। এই ঘটনা সামনে আসতেই দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ক্ষোভে উত্তাল হয়েছে সারা দেশ। সূত্রের খবর, এই গণধর্ষণ কান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও যথাযোগ্য বিচারের দাবিতে উত্তর প্রদেশ ভবনের বাইরে এদিন জড়ো হয়েছিলেন বেশ কিছু বামপন্থী কর্মী সদস্য। প্রায় ৬০ জন এহেন প্রতিবাদীকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের মন্দির মার্গ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বিক্ষোভকারীরা উত্তর প্রদেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগের দাবি জানান। মঙ্গবার উনিশ বছরের ওই তরুণীর মৃত্যুর পরই এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে গর্জে ওঠে দেশ। দোষীদের শাস্তির দাবি জানান অনেকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এ বিষয়ে যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে ফোন কথা বলেন। কিন্তু তাঁর সরকারের পুলিশের এরূপ আচরণ কেন? তবে কি নেপথ্যে কোনো তথ্য গোপনের চেষ্টা চলছে? উঠছে প্রশ্ন।হাথরাস গণধর্ষণ কান্ডে এবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল উত্তর প্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতা দলিত তরুণীর মৃত্যুর পর তার দেহ ফেরত চেয়ে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের সামনে ধর্নায় বসে তরুণীর পরিবার। কিন্তু উনিশ বছর বয়সী ওই দলিত তরুণীর মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে না দিয়ে রাতের অন্ধকারে পুলিশ তা দাহ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শোনা যাচ্ছে, পরিবারের সম্মতি ছাড়াই পুলিশ এ কাজ করেছে।

  1. হাসরাথ গ্রামের নির্যাতিতা তরুণী মনীষা বাল্মীকির পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের না জানিয়ে মাঝরাতে জোর করে গ্রামে নিয়ে গিয়ে দায় সারা ভাবে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করে পুলিশ। পরিবারের কাউকে সামনে যেতে দেওয়া হয় নি, উপরন্তু তাঁদের নাকি মারধরও করেছে যোগী রাজ্যের পুলিশ।

এই ঘটনা সামনে আসতেই দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ক্ষোভে উত্তাল হয়েছে সারা দেশ। সূত্রের খবর, এই গণধর্ষণ কান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও যথাযোগ্য বিচারের দাবিতে উত্তর প্রদেশ ভবনের বাইরে এদিন জড়ো হয়েছিলেন বেশ কিছু বামপন্থী কর্মী সদস্য। প্রায় ৬০ জন এহেন প্রতিবাদীকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের মন্দির মার্গ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এই বিক্ষোভকারীরা উত্তর প্রদেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগের দাবি জানান।

মঙ্গবার উনিশ বছরের ওই তরুণীর মৃত্যুর পরই এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে গর্জে ওঠে দেশ। দোষীদের শাস্তির দাবি জানান অনেকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এ বিষয়ে যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে ফোন কথা বলেন। কিন্তু তাঁর সরকারের পুলিশের এরূপ আচরণ কেন? তবে কি নেপথ্যে কোনো তথ্য গোপনের চেষ্টা চলছে? উঠছে প্রশ্ন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close