দেশ

মস্তিষ্কের জটিল অস্ত্রপচার! ভক্তের পাশে দাঁড়িয়ে ফের মানবিকতার নজির গড়লেন সোনু সুদ

মহানগরবার্তা ওয়েবডেস্ক: করোনা কালে দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে গোটা দেশের আশীর্বাদ পেয়েছেন সোনু সুদ। বলিউড অভিনেতার চেয়েও একজন প্রকৃত মানবদরদী হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠেছে। পরোপকারের নজিরে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়ে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁর পরহিতব্রতে বিরাম আসে নি। বরং দিন দিন তাঁর সাহায্যের হাত যেন বড়ো হয়ে চলেছে আরও। এদিন আরো একবার সেই নিদর্শনই সামনে এল।

এদিন নিজের মায়ের চিকিৎসার জন্য সোনু সুদের সাহায্য চেয়েছিলেন এক যুবক। নিমেষের মধ্যেই চিকিৎসার সমস্ত ব্যবস্থা করে দিয়েছেন অভিনেতা। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সে কথা জানিয়েওছেন তিনি। ওই যুবককে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন, “তোমার অপেক্ষা শেষ। কাছ হয়ে গেছে। কোনো চিন্তা কোরো না।”

জানা গেছে, ওই যুবক হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন যত দ্রুত সম্ভব সাইনাস সার্জারি করা দরকার। কিন্তু ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য ছিল না ওই যুবক এবং তার পরিবারের। তখনই সোনু সুদের দ্বারস্থ হন তাঁরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সোনু সুদের কাছে নিজের সমস্যার কথা লিখে পোস্ট করেন যুবক। তিনি তাঁর মায়ের প্রেসকিপশনের ছবি সহ ট্যুইটারে লেখেন, “শ্রদ্ধেয় সোনু সুদ, আমার মা শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন। অতি দ্রুত তাঁর সাইনাস সার্জারি করাতে হবে। আমি অনেকবার আপনাকে ট্যুইট করেছি। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।”

এই ট্যুইটের পর আর বেশি অপেক্ষা করতে হয় নি অরুণ কুমার নামক ওই যুবককে। সোনু সুদ হায়দ্রাবাদের অ্যাপেল ইএনটি (appleENT) হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত ওই মহিলার চিকিৎসার সমস্ত ব্যবস্থা করে দেন। ট্যুইটে তিনি লেখেন, “অ্যাপেল ইএনটি হাসপাতালের ডাক্তার হরিকিশোর পাটনাম তোমার মায়ের চিকিৎসা করবেন।” এই ঘটনায় আরো একবার নতুন করে অভিনেতার মহত্বের দৃষ্টান্তে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ভারত জুড়ে যখন লকডাউন শুরু হয়েছিল, তখন পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন সোনু সুদ। সেই থেকে যে মানবসেবার সূচনা তিনি করেছেন আজও তাতে ছেদ পড়েনি।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close