অফবিটঅন্যান্য

‘এই তো আমার খামতি দিদিমণি,’ মমতা-স্বস্তিকার ছবি দেখে কেন এমন বললেন শ্রীলেখা

মহানগর বার্তা ডেস্ক: শনিবার রেড রোডের পুজো কার্নিভালে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি প্রকাশ্য আসতেই কটাক্ষে ভরেছেন অভিনেত্রী। এবার সেই পথেই পা বাড়ালেন স্বস্তিকার অভিনয় জগতের সতীর্থ অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র! এই ছবি দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের কমেন্ট সেকশনে তিনি লেখেন, ‘বাহ্! এইতো আমার খামতি দিদিমণি।’ এই মন্তব্যে খামতি দিদিমণি বলতে স্বস্তিকাকে বুঝিয়েছেন এই অভিনেত্রী, এমনই বলছেন অনেকেই।

প্রসঙ্গত, শনিবারের এই ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ‘কাজ পাওয়ার জন্য তুমিও শেষে চটি চাটলে!’ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের পর, এভাবেই কটাক্ষের মুখে পড়েন স্বস্তিকা। একের পর এক বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় ভাসল তাঁর ফেসবুক পোস্ট! প্রসঙ্গত, শনিবারের পুজো কার্নিভালে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে একাধিক ছবিও তোলেন তিনি। এদিন মমতার সঙ্গে তোলা একাধিক ছবি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন স্বস্তিকা। তিনি লেখেন, ‘বহু বছর পরে সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হল। অসাধারণ কাজ করেছে কলকাতা পুলিশ। দিদিকে শুভ বিজয়া।’ এই ছবি তোলার জন্য ওই পোস্টেই পরিচালক, তথা তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।

ঠিক এরপরেই অভিনেত্রীর ফেসবুক পেজে কটাক্ষের ঝড় ওঠে। একের পর মন্তব্য ভেসে ওঠে তাঁর সোশ্যাল ওয়ালে। রজত কান্তি দাস লেখেন, ‘এই বাংলা হয়েছে যখন গণতন্ত্রের বধ্যভূমি গৃহকোণে বসে হর্ষোল্লাসে নীরবে দেখেছ তুমি।’ রাজীব সাহা নামে এই ব্যক্তির মন্তব্য, ‘আপনি ছিলেন প্রতিবাদী মুখের প্রতিনিধি । আপনি কি করবেন সেটা ঠিক করবেন আপনি, কিন্তু আপনাকে ওখানে দেখে আমরা স্তম্ভিত।’ শিবাশিস পাল নামে একজন লেখেন, ‘ভীষণ ভাবে অপ্রত্যাশিত,যে বরাবর স্পষ্টভাষী,প্রতিবাদী তাকে দেখে নিরাশ হলাম।’

যদিও এই শিবাশিসের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জবাব দেন স্বস্তিকা নিজেও। তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে একটা পাবলিক ইভেন্টে দেখা হলে শুভ বিজয়া জানানোটা কী এমন খারাপ লাগার বলুন তো? আর ওঁর সাহসকে আমি কুর্ণিশ জানিয়েছি। সেটা আজও বলব।’

যদিও সোশ্যাল দুনিয়ার আর একটি অংশ পাশেও দাঁড়িয়েছেন স্বস্তিকার। কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল ওই পোস্টের ‘কমেন্ট সেকশনে লিখেছেন, এটাই সোশ্যাল মিডিয়া, যেখানে রাতারাতি মেরুদণ্ডী, কে অমেরুদণ্ডী বানায় মানুষ, আবার উল্টোটাও করে। আর খুব সামান্য বিষয়েই বিচার করে ফেলে।’ আবার অমৃতা মুখোপাধ্যায় বলছেন, ‘আমরা বোধহয় বড় বেশি বিচার করে ফেলি। বড় তাড়াতাড়ি।
শিক্ষিত, স্পষ্টবাদী মানুষ মনে হয় সৌজন্যকে প্রাধান্য দেন,এক্ষেত্রেও বোধহয় তাই-ই।’ এদিকে স্বস্তিকা তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন কি না, এই সাক্ষাতের পরে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
নিজের লেখা নিজে লিখুন
Close
Close