দেশবিনোদন

সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেছেন জানিয়ে দিল এআইএম‌এস

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্ক: সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু রহস্যে নতুন মাত্রা যোগ হলো। ফরেনসিক দলের প্রধান তথা অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল সাইন্সের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সুধীর গুপ্তা জানিয়ে দিলেন সুশান্ত আত্মহত্যা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি খুনের যাবতীয় সম্ভাবনার কথা খারিজ করে দিয়েছেন।

১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর তার দেহের ময়নাতদন্ত হয় মুম্বাইয়ের কুপার হাসপাতলে। কুপার হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন এটি আত্মহত্যার ঘটনা। যদিও সুশান্তের পরিবারের লোকজন ও অসংখ্য অনুরাগী নানা অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করে সে দাবি মানতে চাননি। তারপর সুপ্রিম কোর্টের মধ্য দিয়ে এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তরিত হয়। এরপর সিবিআই এআইএম‌এস’কে দায়িত্ব দেয় সুশান্তের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও ভিসেরা পরীক্ষা করে দেখার জন্য।

এআইএম‌এসের চিকিৎসকরা ভিসেরার মাত্র কুড়ি শতাংশ হাতে পেয়েছিলেন পরীক্ষা করার জন্য। তার উপরেই যাবতীয় পরীক্ষা করে তারা নিশ্চিত হোন এটা আত্মহত্যার ঘটনা। চিকিৎসক সুধীর গুপ্তা জানিয়েছেন “সুশান্তের মৃত্যু নিশ্চিতভাবেই আত্মহত্যার কারণ এই ঘটেছে। খুনের কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।’ যদিও সুশান্তর পরিবারের আইনজীবী বিকাশ সিংহ দাবি করেছিলেন যে তাকে নাকি এআইএম‌এসের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন সুশান্তকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। যদিও ডাক্তার সুধীর গুপ্তা সেই সম্ভাবনা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়ে বলেছেন “ছবি দেখে কখনোই মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।”

সূত্রের খবর ২৯ সেপ্টেম্বর এআইএম‌এসের ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ দল সুশান্তের ভিসেরা রিপোর্ট সিবিআইয়ের কাছে জমা দিয়ে দিয়েছে। সিবিআই আপাতত সুশান্ত আত্মহত্যা করেছেন ধরে নিয়েই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে আত্মহত্যায় প্ররোচনার সম্ভাবনা তারা উড়িয়ে দিচ্ছে না। পরবর্তীতে এই সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে চার্জশিটে ৩০২ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে খবর।

এদিকে গতকাল গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরের সামনে অনশন অবস্থান করছেন সুশান্তের বন্ধু ও অনুরাগীরা। তাদের দাবি সুশান্তের মৃত্যু রহস্য দ্রুত উন্মোচন করতে হবে এবং হত্যাকারীদের ফাঁসি দিতে হবে।সেইসঙ্গে তারা জানিয়েছেন প্রয়াত অভিনেতা যতক্ষণ না সুবিচার পাচ্ছে তাদের এ আন্দোলন চলবে।

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close