বিনোদন

“সুশান্তের মামলা বন্ধ করার জন্য এত ব্যস্ততা কিসের!” সুর চড়ালেন শুভ্রমনিয়াম স্বামী

মহানগর বার্তা ওয়েবডেস্কঃ সুশান্ত সিং রাজপুত মৃত্যু মামলা নিয়ে ফের সুর চড়ালেন সুব্রামানিয়াম স্বামী। রাজ্যসভার সদস্য এবং বিজেপি নেতা সুব্রামানিয়াম স্বামী সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু মামলা নিয়ে বলেন, মুম্বাইয়ের অনেকেই এই মামলা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করছেন। কেন এই তাড়া? প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বর্তমানে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্যের তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিবিআই। সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি কানাঘুষো শোনা গেছে, সিবিআই নাকি এই তদন্ত এবার বন্ধ করে দিতে চলেছে। অর্থাৎ এই ঘটনা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছোতে চলেছে। তাঁদের সিদ্ধান্তে এই মৃত্যুকে তাঁরা আত্মহত্যা বলেই ঘোষণা করতে চলেছেন, শোনা গেছে এমনটাও। আর তাই নিয়েই মুখ খুলেছেন সুব্রামানিয়াম স্বামী।

এই ধরণের গুজব সম্বন্ধে তাঁর বক্তব্য, “আমি শুনেছি মিডিয়াতে বলা হচ্ছে, আগামী দু-দিনের মধ্যে সিবিআই এই মামলার তদন্ত বন্ধ করতে চলেছে। সুশান্ত সিং রাজপুতের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে সিবিআই চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করতে চলেছে বলে প্রচার করা হচ্ছে মিডিয়ায়। এই তথ্য সম্পূর্ণ ভুল।” শুধু তাই নয়, এরপর মিডিয়ায় ছড়ানো এই গুজব নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। “কিছু কিছু মুম্বাইবাসী এই মামলা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য এত কেন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন?”, বলেন তিনি।

এর আগে এই বিষয়ে এইমসের কর্ণধার সুধীর গুপ্তের সঙ্গেও দেখা করেছিলেন সুব্রামানিয়াম স্বামী। জানা গেছে, সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে এইমসের রিপোর্ট সম্বন্ধে কথা বলেন তাঁরা। নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সেই খবর প্রকাশও করেছিলেন তিনি। সেখানে তিনি আরো বলেছিলেন, সুধীর গুপ্ত তাঁকে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর বিষয়ে কিছু ফরেন্সিক রিপোর্টের কথাও জানিয়েছেন। এ বিষয়ে পরে আলোকপাত করবেন বলে জানিয়েছিলেন সুব্রামানিয়াম স্বামী।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ই জুন জনপ্রিয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ তাঁর মুম্বাইয়ের বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। তার পর থেকেই এই রহস্যময় মৃত্যুকে ঘিরে দানা বাঁধে জল্পনা। অভিনেতার প্রতি সুবিচারের দাবিতে তোলপাড় হয় সোশ্যাল মিডিয়া। কিন্তু এইমসের রিপোর্টে এই ঘটনার খুনের তত্ত্ব খারিজ করে দেওয়া হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close